- All
- Category 1
- Category 2
-
Categories
- tips and trcks (1)
বুধবার, নভেম্বর ২৫, ২০০৯
২০১২ সালে কী অইবো?
[quote]২১ ডিসেম্বর ২০১২। পৃথিবীর কোনো একটি শহর।
হঠাৎ করে পুরো এলাকার ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে। একেবারে নেই হয়ে গেছে সূর্য। পুরো পৃথিবী জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকারের কালো চাদর। হঠাৎ লকলক করে মাটির ভেতর থেকে জ্বলে উঠলো তীব্র ভয়াবহ আগুন। প্রচন্ড শব্দে বিস্ফোরিত হচ্ছে একের পর এক সব স্থাপনা। সাগরের পানি ফুঁসে উঠে তীব্র জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জনপদ। ভয়াবহ শব্দে কানে তালা লেগে যাওয়া বিভ্রান্ত লোকজন ছুটোছুটি করছে। পরিস্কার করে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তান্ডবলীলায় নিমেষে ধ্বংস হয়ে গেলো গোটা জীবজগত।
এইচ জি ওয়েলসের লেখা কল্পকাহিনীর কোনো বইয়ের অনুচ্ছেদ এটি হতে পারতো এটি বা স্পিলবার্গের বানানো নতুন কোনো সাই-ফাই মুভির একটি দৃশ্য। অথচ বলা হচ্ছে, এমনটি হবে বলেই নাকি ভবিষ্যৎবাণী করে গেছে আজ থেকে হাজার বছর আগের প্রাচীন এক সভ্যতার অধিবাসী ‘মায়া’রা। তাদের মতে হুমকির মুখেই রয়েছে আমাদের এই পৃথিবী।
কী আছে সেই মায়ান লিপিতে? কেমন সেই হুমকির মাত্রা এবং বাস্তবতা? জানতে হলে একটু পেছনের দিকের ইতিহাসে ফিরে যেতে হবে।
আজ থেকে অনেক অনেক বছর আগে আজকের মেক্সিকোতে ‘মায়া’ নামের একটা সভ্যতা ছিলো। প্রাচীন সেই সভ্যতার অধিবাসী মায়ারা খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ থেকে ৯০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত টিকে ছিলো পৃথিবীতে। মায়ারা বেশ শিক্ষিত জাতি হিসেবেই পরিচিত ছিলো সবার কাছে। প্রাচীন সেই মায়াদের নিজস্ব ভাষারীতি এবং লেখন পদ্ধতিও ছিলো। জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানা শাখায়, বিশেষ করে জ্যোর্তিবিজ্ঞানে খুবই পারদর্শী ছিলো তারা।
সেই সময়ে মায়ারা পৃথিবীর জন্য দীর্ঘ এক ক্যালেন্ডার তৈরি করে। তখন থেকে শুরু হয়ে সেই ক্যালেন্ডারটি বর্তমান ২০১২ সালের ২১ অথবা ২৩ তারিখে এসে শেষ হয়ে গেছে। এই বিষয়টি নিয়েই আসলে যত সমস্যার শুরু। নৃবিজ্ঞানীদের যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে তা হচ্ছে মায়ারা যদি এতো দীর্ঘ দিনের ক্যালেন্ডার তৈরি করলোই তবে তা ২০১২ সালের ডিসেম্বরের ২১ তারিখে এসেই কেন শেষ হলো? আরো কিছুদিন আগে কিংবা পরে কেন শেষ হলো না? এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে বিভিন্ন জ্যোতির্বিজ্ঞানী, নৃ-বিজ্ঞানীরা এর কারণ অনুসন্ধান করতে শুরু করেন। তখন থেকেই বের হতে থাকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। একেক বিজ্ঞানী একেক রকম তথ্য দিতে থাকেন।
এদের কারও মতে, মায়াদের ওই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০১২ সালের ২১ অথবা ২৩ ডিসেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে অর্থাৎ মহাপ্রলয় সংঘটিত হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন ওই দিন প্রলয়ের কোন ঘটনা ঘটবে না তবে পৃথিবীতে এমন কিছু হবে যাতে পৃথিবীর ভৌগলিক অবস্থানসহ অনেক কিছুরই রূপান্তর ঘটে যাবে। এটা পৃথিবীবাসীর জন্য মঙ্গলজনকই হবে এবং এরপর শুরু হবে এক নতুন যুগের।
মায়াদের এই প্রাচীন মিথ নিয়ে এভাবে ব্যাপক গবেষণা, পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনার কথাগুলো নানা সময়ে নানা বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আবার ইন্টারনেটের মাধ্যমেও ছড়িয়ে যায় এই কথাগুলো। অনেক চ্যানেল যেমন: ডিসকভারি এই বিষয়টি নিয়ে আবার ডকুমেন্টারিও প্রচার করে। এর ফলে পৃথিবীব্যাপী একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ এটা বিশ্বাস করে বসে যে সত্যিই সেদিন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এই বিষয়টি নিয়ে আরো ব্যাপক অনুসন্ধান ও গবেষণা শুরু হয়।
এই মায়ান মিথের বিষয়ে মূলধারার মায়া গবেষকরা আবার বলছেন ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর মায়া ক্যালেন্ডারের সঙ্গে পৃথিবীও যে ধ্বংস হয়ে যাবে এই কথাটি ঠিক নয়। এই গুজব দিয়ে মায়াদের আসলে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পৃথিবীর ধ্বংস এই বিশ্বাসের সঙ্গে মায়াদের কোনো সংশ্রব নেই।
অন্যদিকে বিজ্ঞানী সমাজ মহাপ্রলয়ের এই মিথকে অস্বীকার করে বলছেন ২০১২ সালে পৃথিবী ধ্বংসের এই মিথটি আসলে অবৈজ্ঞানিক। এর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। যদি পৃথিবী ধ্বংস হয়ও তবে পৃথিবী ভৌত বিজ্ঞানের যে সূত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত তা মিথ্যা হয়ে যাবে।
অন্যদিকে অনেক বিশেষজ্ঞ আবার বলছেন, এই মিথটা আসলে মায়াদের নয়। এই ক্যালেন্ডার আসলে মেসোআমেরিকান ওলমেক সভ্যতার মানুষদের তৈরি করা। এই ওলমেকদের সঙ্গে মায়াদের একটা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিলো। পরবর্তীতে ওলমেকদের এই দীর্ঘ ক্যালেন্ডারটি মায়াদের নামে পরিচিত পায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ারা একটি ‘সময় চক্র‘কে বিশ্বাস করতো। তাদের মতে এই ‘সময় চক্র’ অনুসারে পৃথিবীর সবকিছু চালিত হয়। তাদের সময় হিসেবের জন্য আলাদা একটি মাপকাঠি ছিলো। এই মাপকাঠি অনুসারে ২০ দিনে হয় এক ইউনাল, ১৮ ইউনাল তথা ৩৬০ দিনে হয় এক টান, ২০ টানে হয় কে’ আটান, ২০ কে আটন তথা ১৪৪,০০০ দিনে হয় বি’ এক টান। এই হিসাব মতে মায়াদের তারিখ ৮.৩.২.১০.১৫ কে যদি ব্যাখ্যা করা হয় তবে তার মানে হবে ৮ বি’ এক টান, ৩ কে’ আটান, ২ টান, ১০ ইউনাল এবং ১৫ দিন।
ধারণা করা হয় মায়ারা বিশ্বাস করতো পৃথিবীর সময়ের একটা নিজস্ব চক্র আছে। প্রতি ১৩ বি’ এক টান পর পর একটা পরিবর্তন আসে পৃথিবীতে। এই পরিবর্তনটা যে আসলে কি, অর্থাৎ ভালো না মন্দ তা নিয়েই যতো গোলমাল।
মায়াদের ক্যালেন্ডারের শেষ তারিখ ১৩.০.০.০০ যা পশ্চিমা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায় পশ্চিমা ক্যালেন্ডারের ২০১২ সালের ২১ অথবা ২৩ ডিসেম্বর এসে এই চক্রটি শেষ হয়। ১৯৫৭ সালে একজন মায়া অ্যাস্ট্রনমার মাউড ওরমেস্টার মেকমসন লিখেছিলেন যে ১৩ বি’ এক টানের চক্রটি যখন পূর্ণতা পাবে তা মায়াদের জন্য অত্যন্ত গুর্বত্বপূর্ণ একটি বিষয় বলে বিবেচিত হবে। এর সঙ্গে আরো যোগ করেছেন মাইকেল ডি কোই। তিনি বলেছেন, ‘পবিত্র এই ১৩ বি’ এক টান চক্রটি যে দিন পূর্ণ হবে (অর্থাৎ ২০১২ সালের ২১-২৩ ডিসেম্বর) সেদিন পৃথিবীসহ এর অধিবাসীদের জন্য শুর্ব হবে এক নতুন জীবনের (এটা কি মৃত্যু পরবর্তী জীবন?)।
‘কেই’ এর প্রলয় মতবাদ ১৯৯০ সালের আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানী মহল গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে অন্যান্য গবেষকরা বলেন, ১৩ বি’ এক টানের মানে এই নয় যে যেদিন ক্যালেন্ডারটি শেষ সেদিনই প্রলয় কান্ড ঘটবে পৃথিবী জুড়ে; হতে পারে ঐদিন এমন কিছু ঘটবে যার ফলে সেদিন পৃথিবীতে উদযাপনযোগ্য কোন উৎসবের মুহূর্তও হতে পারে।
লিন্ডা শেলী এবং ডেভিড ফ্রেইডাল এই দু’জন মায়া গবেষক ও বিজ্ঞানী মায়াদের এই ১৩ বি’ এক টানের উপর দীর্ঘ এক গবেষণা করে শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, ১৩ বি’ এক টানের চক্রটি আসলে ধ্বংসাত্মক কোন কিছু প্রকাশ করতে চায়নি। এর মানে হলো- সেদিন পৃথিবীতে ভালো কিছু ঘটবে। তবে এতোদিন তাহলে মায়াদের ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিলো?
মায়াদের এই মিথটি নিয়ে খোদ মায়ারা কি ভাবছে? এ ব্যাপারে অনুসন্ধানে জানা গেছে, গুয়েতেমালায় বসবাসকারী কিছু আদীবাসী মায়া, যারা এখনও প্রাচীন সেই মায়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তাদের দিন তারিখ হিসাব করে। ২০১২ সালের ২১-২৩ ডিসেম্বর এই ব্যাপারটি নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথাই নেই। অর্থাৎ তারা পৃথিবী ধ্বংসের কারণটি বিশ্বাস করে না। একই কথা বর্তমান যুগের মায়াদেরও। তাদের মতে, ২১ ডিসেম্বর পৃথিবী ধ্বংস নিয়ে যে মাতামাতি চলছে তা আসলে পশ্চিমা সংস্কৃতি ও তাদের বিশ্বাস। এখানে ভুলভাবে মায়াদের জড়ানো হচ্ছে।
অনেক গবেষকের আবার বিশ্বাস, ওই দিন পৃথিবীর কৰপথে আসবে নতুন একটি গ্রহ, যার সাথে পৃথিবীর সরাসরি সংঘর্ষ হবে এবং ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। আবার কেউ কেউ বলছেন, সৌরজগতের মূল চালিকা শক্তি সূর্য, ছায়াপথ মিল্কিওয়েতে এমন কিছু ঘটবে যাতে ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী নামে গ্রহটি।
অনেক গবেষক আবার এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেছেন, এদিন পৃথিবীর বাইরে থেকে মানুষের চেয়েও উন্নত প্রজাতির এবং বুদ্ধিমান ভিনগ্রহবাসীর আগমন হবে। এই ভিনগ্রহবাসীরা অবশ্য পৃথিবী ধ্বংস করবে না নতুন করে সাজাবে তেমন কিছু তারা বলেনি!
এখন এই মিথটি নিয়ে নতুন যুগের নতুন মানুষদের চিন্তাভাবনা কি? তারা এ বিষয়টি নিয়ে কি ভাবছে? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ তর্বণদের বিশ্বাস এই মিথটি আসলে পশ্চিমাদের কারসাজি। এর আগেও বেশ কয়েকবার মহাপ্রলয়ের গুজব শোনা গেছে। সেই বিষয়গুলো নিয়ে যথারীতি বেশ হইচইও হয়েছিল পৃথিবীতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বিষয়গুলো গুজবই থেকে গেছে। তাই মায়াদের এই ২০১২ সালের প্রলয়কান্ডের ভবিষ্যতবাণীকে থোড়াই কেয়ার করছেন তর্বণরা।
অন্য দিকে এই গুজবের বির্বদ্ধে মাঠে নেমেছে খোদ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’। নাসার বক্তব্য হচ্ছে ওই দিন যদি সত্যি সত্যিই পৃথিবী ধ্বংস হতো তবে তার কিছু না কিছু আলামত অবশ্যই দেখা যেতো। তা খালি চোখেই দেখতে পারতো সবাই।
এই গুজবের বির্বদ্ধে নাসা যে কোমর বেধে লেগেছে তা বোঝা যায় তাদের ব্যাপক প্রচারণার কৌশল দেখে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে কার্যকর মিডিয়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে নাসা গুজবের বির্বদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সনি পিকচার্স ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে একটি মুভিও নির্মাণ করেছে। এই মুভির নাম ‘২০১২’। নাম শুনেই আন্দাজ করা যায় এই মুভির বিষয়বস' কি হতে পারে। এই নভেম্বরেই রিলিজ হবার কথা মুভিটির। দেখা যাক কি বলা হয়েছে সেখানে।[/quote]
[i][color=#cccccc]1 minute and 15 seconds after:[/color][/i]
কাল রাত্রে ঐ মুভিটা দেখলাম!! তারপর থেকে তরতরাইয়া কাঁপতেছি!! রাত্রে ভালো ঘুমও হয়নাই। :-SS :-SS :-S :-S"
শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০০৯
নেকাবের খপ্পরে সোয়াইন ফ্লু !!!
পশ্চিমা বিশ্বেও এই বোরকা নিয়ে কম হৈচৈ হয় না। সাম্প্রতিক ফ্রান্স তো তাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেকাব নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ই-মেইলে পাওয়া ছবিগুলো শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে। ছবিতে নেকাবের ব্যবহারের চমৎকার কনট্রাস্ট দেখানো হয়েছে। ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে ছবিগুলো স্রেফ আনন্দের জন্য দেখুন
"
রাজা রবি বর্মার তৈলচিত্র-১
রাজা রবি বর্মা(১৮৪৮-১৯০৬) ভারতে কেরেলা প্রদেশের তৎকালীন ত্রবনকোর রাজ্যের কিলিমানুর রাজপ্রাসাদে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা ইঝুমাবৈল নীলকান্থন ভট্টতিরিপদ ছিলেন একজন মহান পণ্ডিত, এবং তাঁর মাতা উময়াম্বা থাম্পুরত্তি ছিলেন একজন কবি ও লেখক যাঁর 'পার্বতী স্বয়ম্বরম' নামে একটি সৃষ্টি তাঁর মৃত্যুর পর রাজা রবি বর্মার মাধ্যমের প্রকাশিত হয়েছিল। সাত ছর বয়সে রাজা রবি বর্মা প্রাসাদের দেওয়ালে কয়লা দিয়ে ছবি আঁকতে শুরু করেন। তাঁর পিতৃব্য রাজা রাজা বর্মা ছোট্ট বালকের এই প্রতিভা অনুধাবন করেন এবং তাঁকে চিত্রকলার উপর প্রাথমিক শিক্ষা দেন। চৌদ্দ বছর বয়সে আয়িলিয়াম থিরুনাল মহারাজা তাঁকে ত্রবনকোর প্রাসাদে নিয়ে যান এবং সেখানে রাজ চিত্রকার রাম স্বামী নাইড়ু তাঁকে জলচিত্রের উপর শিক্ষা দেন। যখন তাঁর বয়স সতের, তখন থিওডোর জেনসন নামের এক ব্রিটিশ চিত্রকারের কাছে তৈল চিত্রের উপর শিক্ষা নেন।
রাজা রবি বর্মার বেশির ভাগ ছবি সনাতন মহাকাব্যের বিভিন্ন চরিত্র ও ঘটনার পটভূমিতে অঙ্কিত। ১৮৭৩ সালে তিনি মাদ্রাজে অনুষ্টিত চিত্র প্রদর্শনীতে প্রথম পুরস্কার জিতে নেন। একই বছর, ভিয়েনা চিত্রপ্রদর্শনী জয় করে তিনি ভারতীয় এক চিত্রকার হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত হোন।
___________________________________________________________________
তাঁর আঁকা অনেকগুলো ছবি পেলাম একটি সাইটে। ছবিগুলো পর্বে পর্বে দেওয়ার চেষ্টা করবো।
"
৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunes | টেকটিউনস
টেকটিউনস * টেকটিউনস আরএসএস * টেকটিউনস ইমেইল আরএসএস * প্রথম পাতা * আপনিও হোন টেকটিউনার * আমি টেকটিউনার * টিউন করা শিখে নিন * টেকটিউনসে বলুন * টেকটিউনস ল্যাব৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান।টিউন করেছেন : Yeasin Arafat | প্রকাশিত হয়েছে : ১০ অক্টোবর, ২০০৯ | দেখা হয়েছে 6 বার দেখা হয়েছেআমরা সবাই এখন অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়ছি। সব সময় আমরা এখন খেয়াল রাখি যাতে সহজে এবং কম সময়ে আমাদের সকল কাজ শেষ হয়ে যায়। আপনাদের নিত্য দিনের কাজ সহজ করার জন্য আজকে ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান নিয়ে টিউন করব। আশা করি আপনাদের অনেক কাজে আসবে।star ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunesএই ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন গুলো ব্যবহার করা খুব সহজ কারণ এগুলো বেশির ভাগই রেজিস্ট্রশনের ঝামেলা নেই। আপনি যদি একজন ডিজাইনার,ডেভালঅপার,অফিস কর্মকর্তা,ম্যানেজার,ছাত্র যাই হোন না কেন চমৎকার এই সার্ভিস গুলো আপনাদের ভালো লাগবে। এগুলো খুব বেশি জনপ্রিয় না হলেও আপনাদের অনেক কাজে আসবে তাই এই টিউন করা।Milto Encoder:milto ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunesআপনি ইমেল হতে প্রাপ্ত স্ম্যাপবুট প্রতিরোধ করতে পারেন। মিলটো এনকোডের সাহায্যে আপনার সাইটে সকল এডড্রেসে এনকোড দিতে পারবেন।Temporary Inbox:inbox ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunesঅস্থায়ী পরিত্যাক্ত ইমেলের ইনবক্স,যার রেজিস্ট্রশনের প্রয়োজন নাই এবং স্ম্যাপ এভোয়েডের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই ইমেল এডড্রেস ফোরাম,ইরোটিক সাইট এবং সর্বত্র ব্যবহৃত হয়। স্ম্যাপরা কখনই আপনার ইমেল এডড্রেস খুঁজে পাবে না।Tweet Bloger:tweet ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunesটুইট বগ্লার টুইটার ইউজার এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভালাপারদের জন্য একটি ফ্রি সোর্চ। হাইলি এডভান্স ফ্লিটার ব্যবহার করে তারা টুইটারের টপ স্ম্যাপারের রেংক এবং ক্যাটালগ তৈরি করে যা সহজে স্ম্যাপ খুঁজে পায়।Ta-da list:tada ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | TechtunesTa-da list একটি ছোট্ট টুলস যা লিস্ট তৈরি করতে সাহায্য করে। এটি খুব কার্যকারী এবং অবশ্যই সম্পূর্ণ ফ্রি। Ta-da list ওয়েবের মধ্যে সবচেয়ে সহজ লিস্ট টুলস। আপনি এটি তৈরি করে অন্যান্যদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন। এটি খুব সহজেই করতে পারবেন।Friendpaste:frnd ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | TechtunesFriendpaste একটি দ্রুত সার্ভিস যার যার মাধ্যমে আপনি আপনার কোড কপি-পেস্ট করতে পারেন এবং খুব সহজেই আপনার বন্ধুদের লিঙ্ক দিতে পারেন। এই সার্ভিস বঢ় ধরণের সংখ্যাও সাপোর্ট করে যা আপনার প্রয়োজন।Cozi:cozi ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | TechtunesCozi একটি ফ্রি ওয়েব সার্ভিস যা যোগাযোগ এবং মেমরী শেয়ারের মাধ্যমে ফেমিলির বিভিন্ন সময়সূচি,সপিং,গৃহস্থালি কাজ অর্গানাইজেশন করা যায়।Email The Web:email ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunesইমেল ওয়েব একমাত্র ওয়েব বেইডস সার্ভিস যা আপনাকে এক পেজ থেকে অন্য পেজে ইমেল করার সুবিধা দেয়। সম্পূর্ণ ওয়েব পেজ ফ্ল্যাশে ইমেই হবে এবং ক্যাপচার করবে। আপনি যাকে পাঠাবেন সেও একই রকম পেজ দেখতে পাবে।Whisper Bot:whis ৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | TechtunesWhisper Bot একটি ফ্রি,সহজ এবং নিরাপদ সার্ভিস যার মাধ্যমে আপনি আধুনিক জীবন যাত্রার নোট তৈরি করে আপনি আপনার বন্ধুদের দিতে পারেন। ইমেল বন্ধ করুন আপনার কনফিডেনশাল মেসেজের জন্য।Twitter Bot:ফ্রি পাওয়ার জন্য শুরু করুন। কোন ডাউনলোড নেই। অটোমেটিকেলি রি-টুইট আপনার টুইটস।0 people like this tune.Like Bookmark & Share বিভাগ : ওয়েব ডেভেলপমেন্টট্যাগ : ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ওয়েব ডেভালাপমেন্টআরও পড়ুন * notuneLeave a ReplyClick here to cancel reply.You must be logged in to post a comment. * টেকটিউনস ল্যাব * টেকটিউনস সাপোর্ট * টেকটিউনস নীতিমালা * টেকটিউনস যোগাযোগ * টেকটিউনার অধিকার© 2009 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতটেকটিউনস *৯টি ফাটাফাটি কাজের ওয়েব অ্যাপলিকেশান। | Techtunes | টেকটিউনস
Bookmark * Share/Email * What's This?Bookmark ContentAskBeboBibsonomyBlinklistBookmarkSyncConnoteaDeliciousDiggDiigoFacebookFavesGoogle BookmarksJumptagsLinkatopiaMister WongMixxMultiplyMySpaceNewsvinePlaxoPropellerRedditSimpySlashdotSpurlStumbleuponTechnoratiTumblrTwitterYahoo Bookmarks...or create an account to submit to MULTIPLE SITESCreate Your AccountLogin
বুধবার, অক্টোবর ০৭, ২০০৯
ভ্রমনের ছবি তোলার উপর ছোট ছোট ৭টি টিপস
ভ্রমনে বের হলে নতুন নতুন ছবি তোলার আইডিয়া মাথায় চলে আসে সহজেই। কয়েকটি টিপসের মাধ্যমে ভ্রমনের ছবিগুলোকে আরো আকষর্নীয় করে তোলা যায়। Photography শব্দটির গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ আলো দিয়ে ছবি আঁকা। আলোর ব্যবহারের উপরেও কিছু কথা আছে এ টিউটরিয়ালটিতে। কিছু আইডিয়া এখান থেকে অনুবাদ করেও প্রকাশ করছি।
ভ্রমনের সুন্দর সুন্দর ছবি তুলুনঃ
আপনার পরিচিত ফটোগ্রাফার থাকলে তাদের সাথে দেখা করতে পারেন, তাদের ভ্রমনের আর ছবি তোলার অভিজ্ঞতা শুনে নিন।
ভ্রমনে ছবি তুলতে গেলে ছবি তোলার উপর বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে হবে। সব স্থানের ছবি তোলার অনুমোতি নাও থাকতে পারে।
আরেকটা ব্যাপার হলো সব জায়গার লোকজন তাদের ছবি তোলা পছন্দও করে না। আমাদের দেশের বা দক্ষিন এশিয়ার লোকেরা ছবি কোন পর্যটকের সাথে ছবি তোলতে আগ্রহী হয়।
নিজের দামি ছবি তোলার সরঞ্জামগুলোর দিকে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। ভ্রমনে বের হলে এসব চুরি হওয়ার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না।
উজ্জ্বল আলোর ব্যবহারঃ
ঐতিহাসিক কোন অবস্থান বা কোন পোড়া কির্তির ছবি তোলতে উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করুন। বিষয় বস্তুটিকে সঠিকভাবে অনুভব করার জন্য উজ্জ্বল আলো দরকার।
বিকেলের আলোঃ
দুপুরের আলো ছবি তোলার জন্য সবচেয়ে বাজে। সাধারন ছবিগুলো বিকেলে তোলা যেতে পারে। ঝড়,বৃষ্ট বা সূযর্স্তের সময় দারুন দারুন ছবি তোলা যেতে পারে।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ছবি তোলাঃ
একটি অবস্থানের ছবি বিভিন্ন ভাবে তোলা যেতে পারে-সোজা,কোনাকুনি,বিভিন্ন আলোতে,ভিন্নভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডে তুললে অদ্ভুত ভিন্নতা দেখা যায়। নিজের চিন্তা মতো না করে ক্যামেরাটি অন্যকে দিয়েও ছবি তোলে নিতে পারেন।
বিষয় অনুসন্ধানঃ
অপরিচিত,আনকমন নতুন নতুন বিষয় খুজে নিতে পারেন। আবার অতি সাধারন জিনিসের মধ্যে থাকতে পারে অসাধারন বৈচিত্রময়তা আমি তরকারীর খোসা , শস্য বীজের আলোর ঝলক ইত্যাদি অনেক সাধারন ছবিই দেখেছি যা অসাধারন লেগেছে।
অতি সাধারন জায়গা নির্বাচনঃ
আমাদের আসে পাশে অনেক জায়গা আছে যেখানে খুব কোন টুরিস্ট যায় না । সেসব যায়গা ভ্রমন করেও পেতে পারেন মূল্যবান কিছু ছবি তোলার উপাদান।
রাতের ছবিঃ
রাতে ছবি তোলা শিখুন। দিনের কোলাহলমুক্ত নিরব রাতের শহরের ভৌতিক ছবি অনেকের মন টানে। রাতের প্রকৃতির মায়ার কাছে হার মেনেছে অনেকেই।
ভ্রমনের ছবি তোলার উপর ছোট ছোট ৭টি টিপস
ভ্রমনে বের হলে নতুন নতুন ছবি তোলার আইডিয়া মাথায় চলে আসে সহজেই। কয়েকটি টিপসের মাধ্যমে ভ্রমনের ছবিগুলোকে আরো আকষর্নীয় করে তোলা যায়। Photography শব্দটির গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ আলো দিয়ে ছবি আঁকা। আলোর ব্যবহারের উপরেও কিছু কথা আছে এ টিউটরিয়ালটিতে। কিছু আইডিয়া এখান থেকে অনুবাদ করেও প্রকাশ করছি।
ভ্রমনের সুন্দর সুন্দর ছবি তুলুনঃ
আপনার পরিচিত ফটোগ্রাফার থাকলে তাদের সাথে দেখা করতে পারেন, তাদের ভ্রমনের আর ছবি তোলার অভিজ্ঞতা শুনে নিন।
ভ্রমনে ছবি তুলতে গেলে ছবি তোলার উপর বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে হবে। সব স্থানের ছবি তোলার অনুমোতি নাও থাকতে পারে।
আরেকটা ব্যাপার হলো সব জায়গার লোকজন তাদের ছবি তোলা পছন্দও করে না। আমাদের দেশের বা দক্ষিন এশিয়ার লোকেরা ছবি কোন পর্যটকের সাথে ছবি তোলতে আগ্রহী হয়।
নিজের দামি ছবি তোলার সরঞ্জামগুলোর দিকে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। ভ্রমনে বের হলে এসব চুরি হওয়ার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না।
উজ্জ্বল আলোর ব্যবহারঃ
ঐতিহাসিক কোন অবস্থান বা কোন পোড়া কির্তির ছবি তোলতে উজ্জ্বল আলো ব্যবহার করুন। বিষয় বস্তুটিকে সঠিকভাবে অনুভব করার জন্য উজ্জ্বল আলো দরকার।
বিকেলের আলোঃ
দুপুরের আলো ছবি তোলার জন্য সবচেয়ে বাজে। সাধারন ছবিগুলো বিকেলে তোলা যেতে পারে। ঝড়,বৃষ্ট বা সূযর্স্তের সময় দারুন দারুন ছবি তোলা যেতে পারে।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ছবি তোলাঃ
একটি অবস্থানের ছবি বিভিন্ন ভাবে তোলা যেতে পারে-সোজা,কোনাকুনি,বিভিন্ন আলোতে,ভিন্নভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডে তুললে অদ্ভুত ভিন্নতা দেখা যায়। নিজের চিন্তা মতো না করে ক্যামেরাটি অন্যকে দিয়েও ছবি তোলে নিতে পারেন।
বিষয় অনুসন্ধানঃ
অপরিচিত,আনকমন নতুন নতুন বিষয় খুজে নিতে পারেন। আবার অতি সাধারন জিনিসের মধ্যে থাকতে পারে অসাধারন বৈচিত্রময়তা আমি তরকারীর খোসা , শস্য বীজের আলোর ঝলক ইত্যাদি অনেক সাধারন ছবিই দেখেছি যা অসাধারন লেগেছে।
অতি সাধারন জায়গা নির্বাচনঃ
আমাদের আসে পাশে অনেক জায়গা আছে যেখানে খুব কোন টুরিস্ট যায় না । সেসব যায়গা ভ্রমন করেও পেতে পারেন মূল্যবান কিছু ছবি তোলার উপাদান।
রাতের ছবিঃ
রাতে ছবি তোলা শিখুন। দিনের কোলাহলমুক্ত নিরব রাতের শহরের ভৌতিক ছবি অনেকের মন টানে। রাতের প্রকৃতির মায়ার কাছে হার মেনেছে অনেকেই।