বুধবার, নভেম্বর ১০, ২০১০

ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়া একটা তত্ত্বপূর্ন গবেষনা--দুনিয়া বড়ই বিচিত্র

সাধারনভাবে আমরা জানি পদার্থের স্ট্যাটাস বা অবস্থা তিন প্রকার।কঠিন তরল এবং বায়বীয়।কিন্তু মানুষের স্ট্যাটাসের সংখ্যা অসংখ্য।এই বিচিত্র দুনিয়ায় বিচিত্র স্ট্যাটাসের উৎপত্তি হচ্ছে প্রতিদিন।ফেসবুকের কল্যানে সেই স্ট্যটাসগুলো মনের কৃষ্ণগহবর থেকে বেরিয়েআসছে নির্দ্বিধায়।এই ফেসবুক স্ট্যটাস নিয়ে একটি গবেষনা করা যাক।কথায় আছে যার স্ট্যাটাস নাই তার কিছুই নাই।।আবার বাংলা ছবির ডায়লগের মত ডায়লগ আছে, চৌধুরী সাহেব আমার ঘর নাই,বাড়ি নাই, কিন্তু স্ট্যাটাস আছে।এখন আপনার মেয়ে বিয়ে দিবেন কি না বলেন?

যাই হোক ইদানীং চৌধুরী সাহেব টাকা দিয়ে ভালবাসা কেনা যায় না পেইজের স্ট্যাটাসগুলোর মাধ্যমে বাংলা ছবির ডায়লগগুলোর মোহনীয় রুপ রস প্রত্যক্ষ করার ফলে কথায় কথায় ঢলিউডের ফিল্মের কথা আসল।তবে আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় স্ট্যাটাস।শুধুই স্ট্যাটাস।

প্রথমেই স্ট্যটাসকে বিভিন্ন ভাবে ভাগ কপরে আলোচনা স্টার্ট দেয়া যাক,

১।।ইংরেজি স্ট্যাটাস গোষ্ঠীঃ ফেসবুকে কিছু ব্যক্তিদের স্ট্যটাস দেখা যায় সবসময়েই ইংরেজিতে।এরা বাংলাদেশী বাংলাভাষী।তবে কী জন্য এবং কী উদ্দেশ্যে ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ ও তারা স্ট্যটাস দেয়, বাংলা ইজ মাই মাদার টাংক,আই”ম রিয়েলি প্রাউড অফ দ্যাট! তা বোঝার মত ক্ষমতা আমার মত আপামর জনসাধারনের নেই বলেই আমি মনে করি।আমি কিছুদিন আগ হতেই এই ইংলিশ ভাবাধর্মী ব্যক্তিদিগের স্ট্যাটাস সতর্কতার সাথে নিরীক্ষন করলাম।কিন্তু তাহাদের এ হেন কার্যকলাপের হেতু বুঝিতে পারি নাই।চিন্তা করতেছি একদিন জিজ্ঞাসা করিব, ভ্রাতা/ভগিনি আপনার বাংলা বলতে কি লজ্জা হয়?সালাম বরকত রফিক জব্বারের কারনে আপনার এই লজ্জা পাইতে হচ্ছে! ওদের ইংরেজিতে অভিশাপ দিয়া একটা স্ট্যাটাস দেন!

২।সাহিত্য প্রেমী স্ট্যাটাসঃএই স্ট্যাটাস গুলো সাহিত্যকৃষ্ট ব্যাক্তিদিগের স্ট্যাটাস।যেমন একটা উদাহরন,
“কাদম্বিনী মরিয়া প্রমান করিল সে মরে নাই”

“শরত বাবু তুমি একবার দেখে যাও কেমন আছে তোমার এই দেবদাস??”

দেবদাস কহিল, “পার্বতি, অতটা রুপ থাকা ভাল নয়,অহংকার বড় বেড়ে যায়,দেখতে পাওনা,চান্দের অত রুপ হলেও কলঙ্কের কালো দাগ ,পদ্ম সাদা বলেই কাল ভ্রমর বসে থাকে”

এরুপ অনেক সুন্দর এবং পাঠমধুর অমর সাহিত্যের এক বা দু লাইন ভেসে উঠে এই সব স্ট্যাটাসে।এসব স্ট্যাটাস জ্ঞানের উৎস হিসেবেও কাজ করে।

৩।প্রেমিক স্ট্যাটাসঃ স্ট্যাটাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল স্থান যে কয়টা স্ট্যাটাস দখল করে রেখেছে এর মধ্যে একটি প্রেমিক স্ট্যাটাস।এই স্ট্যাটাসগুলো প্রেম প্রীতি এবং ভালবাসায় কানায় কানায় পূর্ন থাকে।কিছু উদাহারনঃ

“তুমি না থাকলে সকালটা এত মিষ্টি হত না...তুমি না থাকলে এই ভালবাসা সৃষ্টি হত না...জান আই লাভ ইউ”

“চাইনা মেয়ে তুমি অন্য কারো হও,আই ওয়ান্ট ইউ”

আমি ওরে ছাড়া বাচুম না, আমারে ওর কাছে লইয়া যাও টাইপের আরো কিছু স্ট্যাটাস আছে এই ক্যাটাগরির।।

৪।ছ্যাকা স্ট্যাটাসঃ এই স্ট্যাটাসগুলোর প্রেম বিদ্বেসী স্ট্যাটাস নামেও পরিচিত।যুকারবার্গ ছ্যাকা খাইয়া ফেসবুক বানাইলো কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ ছ্যাকা খাইয়া সেই ফেসবুকেই স্ট্যাটাস দেয়।।এসব প্রতিটি লাইনে লাইনে এমনকি শব্দে শব্দে ফুটে উঠে প্রেমের প্রতি নিরব অথবা সরব বিদ্রোহ। এসব কিছু উদাহরন,

চলে গেছ তাতে কি,নতুন একটা পেয়েছি,তোমার চেয়ে অনেক সুন্দরী............

প্রেমের মূলধন হল ভালবাসা আর ভালবাসার মূলধন হল কষ্ঠ............

কিছু কিছু মানুষের জীবনে, ভালবাসা চাওয়াটাই ভূল...:D...............।

মেয়েরা এত খারাপ কেন??.....:)..........।।

ছেলেদের জন্যই আমাদের মত মেয়েরা এত খারাপ হয়ে যায়......:)......।

সময় স্রোত আর মেয়ে মানুষ কারো জন্য অপেক্ষা করে না...............:-*......।


৫।হুমায়ুন আহমেদিয় স্ট্যাটাস অথবা আমি হিমু হইতে চাই স্ট্যাটাসঃ এই স্ট্যাটাসের মালিকরা হুমায়ুন আহমেদের দারুন ভক্ত। এরা হিমু হইতে চায়।কয়েকজন নিজেরে হিমু মনে করে এবং হুমায়ুন আহমেদের মত লেখ তারে নিয়া লেখছে ভেবে পুলকিত হয়।এই ধরনের স্ট্যাটাসঃ
"প্রশ্ন : পৃথিবীর কোনো প্রজাতি কি নিজ প্রজাতির কাউকে হত্যা করতে পারে ?উত্তর : পারে । মানুষ !প্রশ্ন : পৃথিবীর কোনো প্রজাতি কি নিজ প্রজাতির কাউকে রক্ষা করার জন্য জীবন দান করতে পারে
?উত্তর : মানুষ ! !........"

আইজ খালি পায়ে তিন মাইল হাটলাম,মুই হিমু হইতে চাই...
আমি এখন হুমায়ুন আহমেদ স্যারের "চলে যায় বসন্তের দিন "পড়ছি।এত সুন্দর মানুষ লেখে ক্যামনে!!
হুমায়ুন স্যারের কবি বই পড়লাম।এমন অসাধারন লেখা সহস্র বছরে সৃষ্টি হয় কিনা সন্দেহ!!
“আমি হিমু হইতে চাই,কিরন হৈমিক যোগ্যতার দিক দিয়া আমি হিমু অনেক অনেক উপরে!!”

“প্রকৃতি প্রার্থনার বস নয়,প্রার্থনার বস হলে দুনিয়ার চেহারাই পাল্টহে যেত—হুমায়ুন আহমেদ।।

মেয়ে--- আমি হিমু হইতে চাই।
পোলা--- আপনি হিমু হইতে পারবেন না।মহিলাদের হিমু হইতে নাই।
মেয়ে---- আপনারে কে বলছে?
-----হুমায়ুন স্যার।আপনে রুপা হয়ে যান।
----মেয়ে তাইলে কি আপনি হিমু হইবেন?
-----পোলা ঠিক আছে।।( এই প্রেম হইয়া গেল!! এইরকম প্রেম ও হয় ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে।এই স্ট্যাটাস গুলোকে লাকি স্ট্যাটাস বলেন কেউ কেউ)

৬।সমালোচক স্ট্যাটাসঃ এরা দুনিয়ার সবকিছু নিয়াই সমালোচনা করে।যেমন ধরেন, হুমায়ুন আহমেদের একটা বই পড়লাম,পুরাই ফালতু,জোকসের বই এর থেইক্যা ভাল।
নোবেল পুরস্কার য়োসা রে দেয়া ঠিক হয় নাই।
এন্টার্ক্টিকা মহাদেশের পানি খারাপ।খাইলে নির্ঘাত ডায়রিয়া হইব!
ইত্যাদি...

৭।রাজনৈতিক স্ট্যাটাসঃ এই সব স্ট্যাটাস পুরাই রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং নেতাদের নিয়ে।
যেমন, দেলো ভাইজানের পাজামা এত ঢিলা ক্যা?
খালেদা জিয়ারে ঘর থেইক্যা তাড়ানো উচিত।যত শীগ্র সম্ভব।
হাসিনা দেশ ইন্ডিয়ার কাছে বেইচ্যা দিসে।হাসিনার বিরুদ্ধে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করলাম।
সাহারা খাতুনরে একটা বিয়া দেওন দরকার।।

৮।।মন ভাল নেই স্ট্যাটাসঃ ফেসবুকে সর্বাধিক প্রচলিত স্ট্যাটাসের নাম মন ভালো নেই স্ট্যাটাস।
"আজ আমার মন ভাল নেই,"
" চূড়ান্ত মন খারাপ..."
"মন এইরকম খারাপ হয় ক্যান!!আমি কিন্তু কাইন্দা দিমু।।"
"আমি মন ভাল করতে পারি না ক্যান!"

৯।তাৎক্ষনিক স্ট্যাটাসঃ যেমন আমি এখন বাসে আছি............।।
এইমাত্র টয়লেট থেকে বের হলাম,আহা শান্তি।।
আমি টয়লেটে আছি,আপনি কই??
ভাত খাইতেছি...।।
বই পড়তেছি............।।
ঘুমাইতেছি..................।(ঘুমাইয়া ক্যামনে স্ট্যাটাস দেয় এইট্যা গবেষনার বিষয়!:-/)

১০।বিচিত্র স্ট্যাটাসঃ এইসব স্ট্যাটাসের মূলমন্ত্র “দুনিয়া বড়ই বিচিত্র”।বিচিত্র দুনিয়ার বিচিত্র তায় বিচিত্র অনুভুতি যাদের হয় তারা এই বিচিত্র স্ট্যাটাস দেন।।যেমন,
এইট্যা কি দেখলাম,ম্যানহোলে ওমেন পইড়্যা গেল!! দুনিয়া বড়ই বিচিত্র!!!
ক্যালকুলেটরের চেয়ে হাতি বড়!! দুনিয়া বড়ই বিচিত্র!!

আরেক প্রকারের স্ট্যাটাস আছে ওইটারে বলে বুদ্ধিজীবি স্ট্যাটাস।এটা নিয়া লেখতে গেলে কয়েক ঘন্টার কাম।বুদ্ধিজীবিগনের স্ট্যাটাসও বুদ্ধিতে ভরপুর।তাই এগুলো বুজতে মাঝে মাঝে প্রচুর বুদ্ধির প্রয়োজন হয়।বিচিত্র পৃথিবীতে এখন বুদ্ধির সংকট চলতেছে।তাই বুদ্ধিজীবি স্ট্যাটাস নিয়া তাই গবেষনা হইব পরে।আজকের গবেষনা এইখানেই শেষ।ভাল থাকেন আর ভাল ভাল স্ট্যাটাস দেন...........................।


বি দ্রঃ মিইল্যা গেলে কাকতাল।।
Blogged with the Flock Browser

শনিবার, অক্টোবর ৩০, ২০১০

50 cent বাংলায় HIP HOP

আমি নিতান্তই গন্ডোমুরখ । জতটুকু সম্ভব চেস্টা করেছি । ভাল বা খারাপ লাগ্লে বলবেন । এটা ৫০ পইসা ভায়ের " কেন্ডী শপ " । সরল ভাষায় অনুবাদ করলে এই রুপ দাড়ায় >>>



আমি তরে লজেনচের দুকানে নিয়া জামু
আমি তরে লজেনচের মত চাট্মু
সামনে আগাই জা মাইয়া, থামিস না
যতক্খন পইরজন্ত না তই হিট করতে পারস

আমি ও তরে লজেনচের দুকানে নিয়া জামু
পোলার স্বাদ আমিও পাইসি
আমার যা আসে সব তরে দিয়ালামু
তুইও চালাই যা যতক্খন তুই পারস

তই যেইভাবে চাস সেই ভাবেই পাবি
তুই জিনিশ নিয়া পিসনে যাবি? না আমি ধাক্কা দিমু?
তাপমাত্রা বারতাসে, ঠিক আসে চল নেক্সট লেভেল এ যাই
নাচের মঞ্চ চা এর কেতলির মত গরম হইয়া গেসে
বিচ অথবা পারক এ ,যেখাইনেই হোক তুই ত আসস
যদি তুমি হট খাইয়া জাও, আমি ও হট হমু
হোটেল এর রুমে অথবা ভাড়া বাসায়
আমি তর জন্য এই রেকরড ভাংমু, বেবি এইটা খুব সুজা
ভালবাসার লাঠি পাইসি, আমি ভালবাসার ডাক্তর
আমাকে দেখাইতে চাও তমি কেম্নে কাম কর? কূনূ সমস্যা নাই
তর বন্ধুরা তরে আমার লাফালাফি নিয়া বিরক্ত করবে
আমার উপর উইঠা লাফালাফি কর,
আমি মৌসূমি পশু চিকিৎসক , যখন আমি এই ব্রজ্য পদারথে আসি
কাজ শেষে তুই আমার লাঠি নিয়া খেলতে পারস
আমি আমার সকল জ্ঞান দিয়া তরে বুঝামু
আমি তর মুখে ...... ফেল্মু, হাতে না (হা হা )
মেয়ে আমরা কি করব
এবং আমরা কোথায় করব
যে কাজটা তর আর আমার মদ্ধে হবে
যে কাজ টা আমরা করব
আমারে এইটা দে, সুন্দর ভাবে এবং আস্তে
বাইয়া বাইয়া উপরে উঠ, গবাদি পশু ধরার মত
তুই এই ধরনের আওআজ আজে শুনস নাই
কারন আজকের মত আমি এইটা ভিতরে ঢুকাই নাই
যখন আমি দরজা দিয়া ঢুকুম,সে আমার জিপার ধইরা টানাটানি করবে
এইটা আক্টা রেসের মত, কে আগে উলঙ্গ হইতে পারে
এইটা কি দেখতে স্লেশপুরণো যৌনতার মত না?
আমি সঠিক সময়ে সঠিক জায়গা ধরসি
আমি মনে চিন্তা আসবে ঐ পাছা সম্পরকে
লাইট জালান কি বন্ধ থাক, সে এইটা সামনে থেকে পছন্দ করে
কি আক্রশনিয়, যখন তমি দেখবা সে কিভাবে বাতাস ছারে
তার পাছা মেঝের উপর ধিরে ধিরে লাফায়
জতক্খন সে থামে না, বন্ধু আমি ও থামি না
গরম পানি ফুটার মত শব্দ হয়
আমার ফরাসি মদ বোতল এর পর বোতল খালি হয়
আমরা একটা চুমুক দি আর প্রত্তেক বোতল খালি হইয়া যায়
Blogged with the Flock Browser

50 cent বাংলায় HIP HOP

আমি নিতান্তই গন্ডোমুরখ । জতটুকু সম্ভব চেস্টা করেছি । ভাল বা খারাপ লাগ্লে বলবেন । এটা ৫০ পইসা ভায়ের " কেন্ডী শপ " । সরল ভাষায় অনুবাদ করলে এই রুপ দাড়ায় >>>



আমি তরে লজেনচের দুকানে নিয়া জামু
আমি তরে লজেনচের মত চাট্মু
সামনে আগাই জা মাইয়া, থামিস না
যতক্খন পইরজন্ত না তই হিট করতে পারস

আমি ও তরে লজেনচের দুকানে নিয়া জামু
পোলার স্বাদ আমিও পাইসি
আমার যা আসে সব তরে দিয়ালামু
তুইও চালাই যা যতক্খন তুই পারস

তই যেইভাবে চাস সেই ভাবেই পাবি
তুই জিনিশ নিয়া পিসনে যাবি? না আমি ধাক্কা দিমু?
তাপমাত্রা বারতাসে, ঠিক আসে চল নেক্সট লেভেল এ যাই
নাচের মঞ্চ চা এর কেতলির মত গরম হইয়া গেসে
বিচ অথবা পারক এ ,যেখাইনেই হোক তুই ত আসস
যদি তুমি হট খাইয়া জাও, আমি ও হট হমু
হোটেল এর রুমে অথবা ভাড়া বাসায়
আমি তর জন্য এই রেকরড ভাংমু, বেবি এইটা খুব সুজা
ভালবাসার লাঠি পাইসি, আমি ভালবাসার ডাক্তর
আমাকে দেখাইতে চাও তমি কেম্নে কাম কর? কূনূ সমস্যা নাই
তর বন্ধুরা তরে আমার লাফালাফি নিয়া বিরক্ত করবে
আমার উপর উইঠা লাফালাফি কর,
আমি মৌসূমি পশু চিকিৎসক , যখন আমি এই ব্রজ্য পদারথে আসি
কাজ শেষে তুই আমার লাঠি নিয়া খেলতে পারস
আমি আমার সকল জ্ঞান দিয়া তরে বুঝামু
আমি তর মুখে ...... ফেল্মু, হাতে না (হা হা )
মেয়ে আমরা কি করব
এবং আমরা কোথায় করব
যে কাজটা তর আর আমার মদ্ধে হবে
যে কাজ টা আমরা করব
আমারে এইটা দে, সুন্দর ভাবে এবং আস্তে
বাইয়া বাইয়া উপরে উঠ, গবাদি পশু ধরার মত
তুই এই ধরনের আওআজ আজে শুনস নাই
কারন আজকের মত আমি এইটা ভিতরে ঢুকাই নাই
যখন আমি দরজা দিয়া ঢুকুম,সে আমার জিপার ধইরা টানাটানি করবে
এইটা আক্টা রেসের মত, কে আগে উলঙ্গ হইতে পারে
এইটা কি দেখতে স্লেশপুরণো যৌনতার মত না?
আমি সঠিক সময়ে সঠিক জায়গা ধরসি
আমি মনে চিন্তা আসবে ঐ পাছা সম্পরকে
লাইট জালান কি বন্ধ থাক, সে এইটা সামনে থেকে পছন্দ করে
কি আক্রশনিয়, যখন তমি দেখবা সে কিভাবে বাতাস ছারে
তার পাছা মেঝের উপর ধিরে ধিরে লাফায়
জতক্খন সে থামে না, বন্ধু আমি ও থামি না
গরম পানি ফুটার মত শব্দ হয়
আমার ফরাসি মদ বোতল এর পর বোতল খালি হয়
আমরা একটা চুমুক দি আর প্রত্তেক বোতল খালি হইয়া যায়
Blogged with the Flock Browser

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০০৯

ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগকে ব্যবহার করুন ডায়েরী হিসেবে (ফেইসবুক, টুইটার স্টাইল)

ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগকে ব্যবহার করুন ডায়েরী হিসেবে (ফেইসবুক, টুইটার স্টাইল): "

আপনার প্রতিদিনের কর্মকাণ্ডের উল্লেখযোগ্য অংশগুলোকে ডিজিটাল ডায়েরীর মোড়কে রেকর্ড করে রাখতে পারেন ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের মাধ্যমেও। এক্ষেত্রে ফেইসবুক, টুইটারের মত স্ট্যাটাস আপডেট বক্স আসবে। সেখানে যা ইচ্ছা তা লিখে পোস্ট করে দিতে পারেন কয়েক সেকেন্ডেই। এর যে সুবিধাটা আমার সবচেয়ে পছন্দ হয়েছে তা হচ্ছে – মোবাইল থেকেও আপনার স্ট্যাটাস, ডায়েরী লিখতে পারবেন ফেইসবুক, টুইটারের মত।







ফেইসবুক, টুইটার থাকতে ওয়ার্ডপ্রেসের কি দরকার?


ফেইসবুকের প্রধান অসুবিধা হচ্ছে এতে পূর্বের লেখাগুলো দেখা যায় না। যেমন আপনি আজ থেকে একমাস আগের স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন না। টুইটারে এই সুবিধা আছে, কিন্তু স্ট্যাটাস ১৪০ শব্দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে হয়। তাছাড়া অনেকে ডায়েরী গোপন করে রাখতে চান। ওয়ার্ডপ্রেসে এইজন্য পাসওয়ার্ড প্রটেকশানের ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ আপনার স্ট্যাটাস দেখতে হলে পাসওয়ার্ড লাগবে। কাজেই একটি ডিজিটাল ডায়েরীর প্রায় সব সুবিধাই আপনি উপভোগ করতে পারবেন এটার মাধ্যমে। ধরুন, বিছানায় শুয়ে শুয়ে আপনার মাথায় আইডিয়া এলো একটা পোস্টের । মোবাইল দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে লিখে রাখতে পারেন সেই আইডিয়া যাতে পরে ভুলে না যান। অর্থাৎ কোন কষ্ট ছাড়া একটি ডিজিটাল ডায়েরীর প্রায় সব সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন এর সাহায্যে।



যেভাবে করবেনঃ


১। প্রথমে ওয়ার্ডপ্রেসে লগইন করুন।

২। Appearence এ ক্লিক করুন।


৩। থিম এ ক্লিক করুন।


৪। ডানদিকে সার্চবক্সে Prologue অথবা P2 লিখে সার্চ দিন। ( আমার Prologue এর ইন্টারফেস বেশি ভাল লেগেছে । )



৫। সক্রিয়করন এ ক্লিক করুন।



ব্যস, হয়ে গেছে। এবার আপনার ব্লগ ভিজিট করুন। নিচের মতো একটা বক্স পাবেন। এখানে যা ইচ্ছা লিখতে পারবেন। ডায়েরীটি একান্তই আপনার। :) :) :)



স্ট্যাটাস আপডেট ইন্টারফেসটি নিচের মতোঃ



কোন সমস্যা হলে আমাকে এখানে জানাতে পারেন। আমি সহযোগীতা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। ডেমো ব্লগ হিসেবে আমার স্ট্যাটাস আপডেট ব্লগ দেখতে পারেন। আর যারা ওয়ার্ডপ্রেসে একেবারেই নতুন বা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগকে বা আরও সুন্দর করতে চান তারা এই পোস্টটি পড়তে পারেন।


Posted in ওয়ার্ডপ্রেস, টিউটোরিয়াল, টিপস এন্ড ট্রিকস, ফেইসবুক, বাংলায় টেকনোলজি

"

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০০৯

বাংলায় ব্লগস্পট ও ওয়ার্ডপ্রেস টিউটোরিয়ালসমগ্র-সম্পূর্ণ ফ্রি তে আজই বানিয়ে নিন আপনার ব্লগ

বাংলায় ব্লগস্পট ও ওয়ার্ডপ্রেস টিউটোরিয়ালসমগ্র-সম্পূর্ণ ফ্রি তে আজই বানিয়ে নিন আপনার ব্লগ: "

আপনি একজন ব্লগার, কিন্তু আপনার নিজস্ব একটি ব্লগ নেই??? এরকম একটি ব্লগ আপনি বানাতে চান? তাহলে আজই বানিয়ে নিন আপনার ব্লগ সম্পূর্ণ ফ্রি তে। আর যাদের ব্লগ আছে তারা সাজিয়ে নিন সুন্দর করে। এই পোস্টটি আমি নতুন ও পুরাতন সবার দিকে খেয়াল রেখে লেখার চেষ্টা করেছি। কোন সমস্যা হলে পোস্টে কমেন্ট আকারে জানান। আমি সাধ্যমত সাহায্য করার চেষ্টা করব। এই পোস্টে শুধুমাত্র ওয়ার্ডপ্রেস এবং ব্লগার টিউটোরিয়াল নিয়ে আলোচনা করা হলো।


আমার জানা মতে সবচেয়ে ভাল প্লাটফর্ম হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস এবং ব্লগস্পট। এখন কথা হচ্ছে আপনি কোনটাতে ব্লগিং করবেন? যারা তেমন একটা পরিশ্রম করতে চান না, শুধু একটা ব্লগ রাখতে চান তাদের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ভাল। আর যারা সৌখিন, একটু কষ্ট করে হলেও সুন্দর করে সাজাতে চান নিজের ব্লগকে তাদের জন্য ব্লগস্পট ভাল। ব্লগস্পটে ব্লগকে ইচ্ছেমত সাজানো যায়, কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেসের সবকিছু প্রায় বিল্ড-ইন। শুধু নেবেন আর খাবেন। ওয়ার্ডপ্রেসে ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর সুযোগ কম।


ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের উদাহরণ হিসেবে আমার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ , রিয়া আপুর ব্লগ , আমার আর.এস.এস. ব্লগ এই তিনটি ব্লগ দেখতে পারেন। আর ব্লগস্পটের জন্য অমিত ভাইয়ার ব্লগ , আমার ব্লগস্পট ব্লগ এবং http://www.iloveubangladesh.blogspot.com/ এই ব্লগটি দেখতে পারেন।


ওয়ার্ডপ্রেসঃ


প্রথমে সাইন-আপ পর্ব। এক্ষেত্রে এই পোস্টটি ফলো করে সাইন আপ করুন। এই ধাপগুলো সম্পন্ন হলে আপনি একটি ব্লগ পেয়ে গেলেন।

সাইন আপ পর্ব সম্পন্ন হবার পর এবার এডমিন প্যানেল পরিচিতি অর্থাৎ কোন অপশনের কাজ কি? এই পোস্ট থেকে আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাসবোর্ডে কি কি করতে পারি? অর্থাৎ ব্লগের মালিক হিসেবে আপনি কি কি ক্ষমতার অধিকারী তা জানতে এই পোস্ট পড়ুন।

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগে নতুন পোস্ট লিখতে যেয়ে যে অপশনগুলো আপনি পাবেন সেগুলোর পরিচিতি এবং কাজ সম্পর্কে জানা যাবে এই পোস্ট থেকে।

ওয়ার্ডপ্রেসে নতুন পোস্ট লিখতে পারবেন এই পোস্টের সহায়তায় ( ছবি যোগ করা, লিঙ্ক যোগ করা ইত্যাদিসহ ) ।

এবার নতুন পেজ তৈরী করা পর্বঃ নতুন পেজ তৈরী করার জন্য এই পোস্টটি আপনাকে সহায়তা করবে।

ওয়ার্ডপ্রেসে লিংকলিস্ট তৈরি করুন

ওয়ার্ডপ্রেসের ম্যানেজ বাটনের ব্যবহার

ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগের থিমস পরিবর্তন করুন

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন – Available Widgets

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন – Current Widgets

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন – Extras & Edit CSS

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন – Header Image

আমার এই পোস্টে অনেকগুলো হেডার সংগ্রহ করা আছে।

ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগ কাস্টমাইজেশন – Comments & Upgrades

ওয়ার্ডপ্রেসের সেটিংস বাটন

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারির সেটিংস পরিবর্তন


ওয়ার্ডপ্রেসে গ্রুপব্লগিং এর সুবিধা রয়েছে। ধরুন আপনার স্কুলের নামে একটা ব্লগ খুললেন। সেখানে আপনার বন্ধুরা মিলে লিখতে পারেন সামহোয়্যারইন ব্লগের মত। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই পোস্ট পড়ুন


ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ব্যবহারের সবকিছুই প্রায় বলা হয়েছে। উপরের লিঙ্কের পোস্টগুলো পড়ার পর আশা করা যায় আপনি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে তেমন কোন সমস্যা অনুভব করবেন না। এরপরও কোন সমস্যায় পড়লে আমাকে জানাতে পারেন। আমি সাধ্যমত সমাধান করার চেষ্টা করব।


ব্লগার/ব্লগস্পটঃ


ব্লগারে ব্লগিং ১ম পর্ব

ব্লগারে ব্লগিং ২য় পর্ব

ব্লগারে ব্লগিং ৩য় পর্ব- অন্য ইমেইল প্রোভাইডার দিয়ে

ব্লগারে ব্লগিং শুরু

ব্লগারের ড্যাসবোর্ড পরিচিতি

ব্লগারে নতুন পোস্ট লেখার অপশনসমূহ

ব্লগারে Edit Posts ও Moderate Comments বাটনের ব্যবহার

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার- ০১

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার- ০২

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার- ০৩

ব্লগারের সেটিংস অপশনের ব্যবহার -০৪

ব্লগারের লেআউট অপশনের আলোচনা- ০১

ব্লগারের লেআউট অপশনের আলোচনা- ০২

সুন্দর টেমপ্লেট/থিম ব্যবহার করে সাজিয়ে নিন আপনার ব্লগস্পটের ব্লগকে


আমার ভালো লাগা কিছু ব্লগার টেমপ্লেট-১ ,ব্লগার টেমপ্লেটের জগতে আপনাকে স্বাগতম,ভাললাগা কিছু ওয়ার্ডপ্রেস টু ব্লগার টেমপ্লেট ( সংগ্রহে রাখার জন্য ) এই তিনটি পোস্টে পর্যাপ্ত পরিমানে ব্লগার টেমপ্লেট পাবেন। তাতেও যদি চাহিদা না মেটে তাহলে blogger template লিখে গুগলে সার্চ দিতে পারেন। ম্যাগাজিন ব্লগার টেমপ্লেটগুলো আমার খুব পছন্দের। বেশ সুন্দর সেগুলো। Magazine blogger template লিখেও সার্চ দিতে পারেন।


ব্লগস্পটে অ্যানিমেটেড সাম্প্রতিক পোস্ট সাইডবার তৈরি করবেন যেভাবে

ব্লগার.কম এর ব্লগে ‘উপরে ফিরে যান’ বোতাম স্থাপন করার পদ্ধতি

ওয়ার্ডপ্রেসের মতো পেজ তৈরি করুন ব্লগার.কম এ খোলা ব্লগে

ব্লগারের ব্লগে Table of Contents স্থাপন করার পদ্ধতি

আপনার ব্লগস্পট ব্লগে যুক্ত করুন “ছবিযুক্ত রিলেটেড পোস্ট” widget

ব্লগের জন্য স্টাইলিশ Floting Feedback বটন ক্রিয়েট করা

ব্লগার ব্লগে স্টাইলীশ Comment Form এড করা

ব্লগারের কমেন্ট বক্সের উপরে Yahoo Simileys Emotions এর অপশন এড করা

ব্লগার ব্লগে ড্রপ-ডাউন সাইট ম্যাপ ক্রিয়েট করা

ব্লগার ব্লগে স্টাইলীশ পেজ নেভিগেসন widget


কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ


aR ভাইয়া

রিয়া আপু

অমিত ভাইয়া

মুকুল ভাইয়া


Posted in ওয়ার্ডপ্রেস, টিউটোরিয়াল, টিপস এন্ড ট্রিকস, বাংলায় টেকনোলজি, ব্লগস্পট
"

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১০, ২০০৯

এইটা একটি পরীক্ষামূলক ব্লগ

এইটা একটি পরীক্ষামূলক ব্লগ

স্মরণ করিয়ে দিলাম সেই নরপশুদের কথা……………..

স্মরণ করিয়ে দিলাম সেই নরপশুদের কথা……………..: "



















- হোসাইন ।

চট্টগ্রাম ।

১০/১২/২০০৯

hossainbd1971@gmail.com "

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬, ২০০৯

Radiotracker Platinum v6.0.33916.1600 With Serial

Radiotracker Platinum v6.0.33916.1600 With Serial: "



Radiotracker Platinum’s built-in music database provides you with listings of over 80,000 artists and their music. Simply point, click and add your favorite artists and titles to your Wish List. Radiotracker delivers the music you’ve selected in MP3 format as soon as it is played on any of over 18,000 watched internet radio stations worldwide. It will even locate the stations that play your favorite artists most frequently to make future searches even more efficient. And with Radiotracker’s built-in Player, you can listen tointernet radio stations, play back MP3 music, burn CDs and synchronize MP3 music with any MP3 player or Apple iPod—complete with ID3 tags and album cover artwork!



http://www.multiupload.com/FVSO96Q17L


Serial:


44LH3-VBIUM-FKWOS-BOCIN-CLCEG-2X7TQ-ITUFP-PUFH7-BFY6R-K2OPV-DSH5Q

"

বুধবার, নভেম্বর ২৫, ২০০৯

২০১২ সালে কী অইবো?

২০১২ সালে কী অইবো?: "[url=http://tech.bdnews24.com/details.php?shownewsid=323]সূত্র: বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম[/url]


[quote]২১ ডিসেম্বর ২০১২। পৃথিবীর কোনো একটি শহর।


হঠাৎ করে পুরো এলাকার ইলেকট্রিসিটি চলে গেছে। একেবারে নেই হয়ে গেছে সূর্য। পুরো পৃথিবী জুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকারের কালো চাদর। হঠাৎ লকলক করে মাটির ভেতর থেকে জ্বলে উঠলো তীব্র ভয়াবহ আগুন। প্রচন্ড শব্দে বিস্ফোরিত হচ্ছে একের পর এক সব স্থাপনা। সাগরের পানি ফুঁসে উঠে তীব্র জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জনপদ। ভয়াবহ শব্দে কানে তালা লেগে যাওয়া বিভ্রান্ত লোকজন ছুটোছুটি করছে। পরিস্কার করে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তান্ডবলীলায় নিমেষে ধ্বংস হয়ে গেলো গোটা জীবজগত।

এইচ জি ওয়েলসের লেখা কল্পকাহিনীর কোনো বইয়ের অনুচ্ছেদ এটি হতে পারতো এটি বা স্পিলবার্গের বানানো নতুন কোনো সাই-ফাই মুভির একটি দৃশ্য। অথচ বলা হচ্ছে, এমনটি হবে বলেই নাকি ভবিষ্যৎবাণী করে গেছে আজ থেকে হাজার বছর আগের প্রাচীন এক সভ্যতার অধিবাসী ‘মায়া’রা। তাদের মতে হুমকির মুখেই রয়েছে আমাদের এই পৃথিবী।

কী আছে সেই মায়ান লিপিতে? কেমন সেই হুমকির মাত্রা এবং বাস্তবতা? জানতে হলে একটু পেছনের দিকের ইতিহাসে ফিরে যেতে হবে।


আজ থেকে অনেক অনেক বছর আগে আজকের মেক্সিকোতে ‘মায়া’ নামের একটা সভ্যতা ছিলো। প্রাচীন সেই সভ্যতার অধিবাসী মায়ারা খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ থেকে ৯০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত টিকে ছিলো পৃথিবীতে। মায়ারা বেশ শিক্ষিত জাতি হিসেবেই পরিচিত ছিলো সবার কাছে। প্রাচীন সেই মায়াদের নিজস্ব ভাষারীতি এবং লেখন পদ্ধতিও ছিলো। জ্ঞান-বিজ্ঞানের নানা শাখায়, বিশেষ করে জ্যোর্তিবিজ্ঞানে খুবই পারদর্শী ছিলো তারা।

সেই সময়ে মায়ারা পৃথিবীর জন্য দীর্ঘ এক ক্যালেন্ডার তৈরি করে। তখন থেকে শুরু হয়ে সেই ক্যালেন্ডারটি বর্তমান ২০১২ সালের ২১ অথবা ২৩ তারিখে এসে শেষ হয়ে গেছে। এই বিষয়টি নিয়েই আসলে যত সমস্যার শুরু। নৃবিজ্ঞানীদের যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলছে তা হচ্ছে মায়ারা যদি এতো দীর্ঘ দিনের ক্যালেন্ডার তৈরি করলোই তবে তা ২০১২ সালের ডিসেম্বরের ২১ তারিখে এসেই কেন শেষ হলো? আরো কিছুদিন আগে কিংবা পরে কেন শেষ হলো না? এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে বিভিন্ন জ্যোতির্বিজ্ঞানী, নৃ-বিজ্ঞানীরা এর কারণ অনুসন্ধান করতে শুরু করেন। তখন থেকেই বের হতে থাকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। একেক বিজ্ঞানী একেক রকম তথ্য দিতে থাকেন।

এদের কারও মতে, মায়াদের ওই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০১২ সালের ২১ অথবা ২৩ ডিসেম্বর পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে অর্থাৎ মহাপ্রলয় সংঘটিত হবে। আবার কেউ কেউ বলছেন ওই দিন প্রলয়ের কোন ঘটনা ঘটবে না তবে পৃথিবীতে এমন কিছু হবে যাতে পৃথিবীর ভৌগলিক অবস্থানসহ অনেক কিছুরই রূপান্তর ঘটে যাবে। এটা পৃথিবীবাসীর জন্য মঙ্গলজনকই হবে এবং এরপর শুরু হবে এক নতুন যুগের।

মায়াদের এই প্রাচীন মিথ নিয়ে এভাবে ব্যাপক গবেষণা, পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনার কথাগুলো নানা সময়ে নানা বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আবার ইন্টারনেটের মাধ্যমেও ছড়িয়ে যায় এই কথাগুলো। অনেক চ্যানেল যেমন: ডিসকভারি এই বিষয়টি নিয়ে আবার ডকুমেন্টারিও প্রচার করে। এর ফলে পৃথিবীব্যাপী একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ এটা বিশ্বাস করে বসে যে সত্যিই সেদিন পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে। পরবর্তীতে এই বিষয়টি নিয়ে আরো ব্যাপক অনুসন্ধান ও গবেষণা শুরু হয়।

এই মায়ান মিথের বিষয়ে মূলধারার মায়া গবেষকরা আবার বলছেন ২০১২ সালের ২১ ডিসেম্বর মায়া ক্যালেন্ডারের সঙ্গে পৃথিবীও যে ধ্বংস হয়ে যাবে এই কথাটি ঠিক নয়। এই গুজব দিয়ে মায়াদের আসলে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পৃথিবীর ধ্বংস এই বিশ্বাসের সঙ্গে মায়াদের কোনো সংশ্রব নেই।

অন্যদিকে বিজ্ঞানী সমাজ মহাপ্রলয়ের এই মিথকে অস্বীকার করে বলছেন ২০১২ সালে পৃথিবী ধ্বংসের এই মিথটি আসলে অবৈজ্ঞানিক। এর কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। যদি পৃথিবী ধ্বংস হয়ও তবে পৃথিবী ভৌত বিজ্ঞানের যে সূত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত তা মিথ্যা হয়ে যাবে।


অন্যদিকে অনেক বিশেষজ্ঞ আবার বলছেন, এই মিথটা আসলে মায়াদের নয়। এই ক্যালেন্ডার আসলে মেসোআমেরিকান ওলমেক সভ্যতার মানুষদের তৈরি করা। এই ওলমেকদের সঙ্গে মায়াদের একটা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিলো। পরবর্তীতে ওলমেকদের এই দীর্ঘ ক্যালেন্ডারটি মায়াদের নামে পরিচিত পায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, মায়ারা একটি ‘সময় চক্র‘কে বিশ্বাস করতো। তাদের মতে এই ‘সময় চক্র’ অনুসারে পৃথিবীর সবকিছু চালিত হয়। তাদের সময় হিসেবের জন্য আলাদা একটি মাপকাঠি ছিলো। এই মাপকাঠি অনুসারে ২০ দিনে হয় এক ইউনাল, ১৮ ইউনাল তথা ৩৬০ দিনে হয় এক টান, ২০ টানে হয় কে’ আটান, ২০ কে আটন তথা ১৪৪,০০০ দিনে হয় বি’ এক টান। এই হিসাব মতে মায়াদের তারিখ ৮.৩.২.১০.১৫ কে যদি ব্যাখ্যা করা হয় তবে তার মানে হবে ৮ বি’ এক টান, ৩ কে’ আটান, ২ টান, ১০ ইউনাল এবং ১৫ দিন।

ধারণা করা হয় মায়ারা বিশ্বাস করতো পৃথিবীর সময়ের একটা নিজস্ব চক্র আছে। প্রতি ১৩ বি’ এক টান পর পর একটা পরিবর্তন আসে পৃথিবীতে। এই পরিবর্তনটা যে আসলে কি, অর্থাৎ ভালো না মন্দ তা নিয়েই যতো গোলমাল।

মায়াদের ক্যালেন্ডারের শেষ তারিখ ১৩.০.০.০০ যা পশ্চিমা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায় পশ্চিমা ক্যালেন্ডারের ২০১২ সালের ২১ অথবা ২৩ ডিসেম্বর এসে এই চক্রটি শেষ হয়। ১৯৫৭ সালে একজন মায়া অ্যাস্ট্রনমার মাউড ওরমেস্টার মেকমসন লিখেছিলেন যে ১৩ বি’ এক টানের চক্রটি যখন পূর্ণতা পাবে তা মায়াদের জন্য অত্যন্ত গুর্বত্বপূর্ণ একটি বিষয় বলে বিবেচিত হবে। এর সঙ্গে আরো যোগ করেছেন মাইকেল ডি কোই। তিনি বলেছেন, ‘পবিত্র এই ১৩ বি’ এক টান চক্রটি যে দিন পূর্ণ হবে (অর্থাৎ ২০১২ সালের ২১-২৩ ডিসেম্বর) সেদিন পৃথিবীসহ এর অধিবাসীদের জন্য শুর্ব হবে এক নতুন জীবনের (এটা কি মৃত্যু পরবর্তী জীবন?)।

‘কেই’ এর প্রলয় মতবাদ ১৯৯০ সালের আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানী মহল গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে অন্যান্য গবেষকরা বলেন, ১৩ বি’ এক টানের মানে এই নয় যে যেদিন ক্যালেন্ডারটি শেষ সেদিনই প্রলয় কান্ড ঘটবে পৃথিবী জুড়ে; হতে পারে ঐদিন এমন কিছু ঘটবে যার ফলে সেদিন পৃথিবীতে উদযাপনযোগ্য কোন উৎসবের মুহূর্তও হতে পারে।

লিন্ডা শেলী এবং ডেভিড ফ্রেইডাল এই দু’জন মায়া গবেষক ও বিজ্ঞানী মায়াদের এই ১৩ বি’ এক টানের উপর দীর্ঘ এক গবেষণা করে শেষে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, ১৩ বি’ এক টানের চক্রটি আসলে ধ্বংসাত্মক কোন কিছু প্রকাশ করতে চায়নি। এর মানে হলো- সেদিন পৃথিবীতে ভালো কিছু ঘটবে। তবে এতোদিন তাহলে মায়াদের ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিলো?

মায়াদের এই মিথটি নিয়ে খোদ মায়ারা কি ভাবছে? এ ব্যাপারে অনুসন্ধানে জানা গেছে, গুয়েতেমালায় বসবাসকারী কিছু আদীবাসী মায়া, যারা এখনও প্রাচীন সেই মায়া ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তাদের দিন তারিখ হিসাব করে। ২০১২ সালের ২১-২৩ ডিসেম্বর এই ব্যাপারটি নিয়ে তাদের কোন মাথা ব্যথাই নেই। অর্থাৎ তারা পৃথিবী ধ্বংসের কারণটি বিশ্বাস করে না। একই কথা বর্তমান যুগের মায়াদেরও। তাদের মতে, ২১ ডিসেম্বর পৃথিবী ধ্বংস নিয়ে যে মাতামাতি চলছে তা আসলে পশ্চিমা সংস্কৃতি ও তাদের বিশ্বাস। এখানে ভুলভাবে মায়াদের জড়ানো হচ্ছে।

অনেক গবেষকের আবার বিশ্বাস, ওই দিন পৃথিবীর কৰপথে আসবে নতুন একটি গ্রহ, যার সাথে পৃথিবীর সরাসরি সংঘর্ষ হবে এবং ধ্বংস হয়ে যাবে পৃথিবী। আবার কেউ কেউ বলছেন, সৌরজগতের মূল চালিকা শক্তি সূর্য, ছায়াপথ মিল্কিওয়েতে এমন কিছু ঘটবে যাতে ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী নামে গ্রহটি।

অনেক গবেষক আবার এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেছেন, এদিন পৃথিবীর বাইরে থেকে মানুষের চেয়েও উন্নত প্রজাতির এবং বুদ্ধিমান ভিনগ্রহবাসীর আগমন হবে। এই ভিনগ্রহবাসীরা অবশ্য পৃথিবী ধ্বংস করবে না নতুন করে সাজাবে তেমন কিছু তারা বলেনি!

এখন এই মিথটি নিয়ে নতুন যুগের নতুন মানুষদের চিন্তাভাবনা কি? তারা এ বিষয়টি নিয়ে কি ভাবছে? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ তর্বণদের বিশ্বাস এই মিথটি আসলে পশ্চিমাদের কারসাজি। এর আগেও বেশ কয়েকবার মহাপ্রলয়ের গুজব শোনা গেছে। সেই বিষয়গুলো নিয়ে যথারীতি বেশ হইচইও হয়েছিল পৃথিবীতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বিষয়গুলো গুজবই থেকে গেছে। তাই মায়াদের এই ২০১২ সালের প্রলয়কান্ডের ভবিষ্যতবাণীকে থোড়াই কেয়ার করছেন তর্বণরা।

অন্য দিকে এই গুজবের বির্বদ্ধে মাঠে নেমেছে খোদ মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’। নাসার বক্তব্য হচ্ছে ওই দিন যদি সত্যি সত্যিই পৃথিবী ধ্বংস হতো তবে তার কিছু না কিছু আলামত অবশ্যই দেখা যেতো। তা খালি চোখেই দেখতে পারতো সবাই।

এই গুজবের বির্বদ্ধে নাসা যে কোমর বেধে লেগেছে তা বোঝা যায় তাদের ব্যাপক প্রচারণার কৌশল দেখে। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে কার্যকর মিডিয়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে নাসা গুজবের বির্বদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সনি পিকচার্স ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করে একটি মুভিও নির্মাণ করেছে। এই মুভির নাম ‘২০১২’। নাম শুনেই আন্দাজ করা যায় এই মুভির বিষয়বস' কি হতে পারে। এই নভেম্বরেই রিলিজ হবার কথা মুভিটির। দেখা যাক কি বলা হয়েছে সেখানে।[/quote]

[i][color=#cccccc]1 minute and 15 seconds after:[/color][/i]

কাল রাত্রে ঐ মুভিটা দেখলাম!! তারপর থেকে তরতরাইয়া কাঁপতেছি!! রাত্রে ভালো ঘুমও হয়নাই। :-SS :-SS :-S :-S"

শনিবার, অক্টোবর ১০, ২০০৯

নেকাবের খপ্পরে সোয়াইন ফ্লু !!!

নেকাবের খপ্পরে সোয়াইন ফ্লু !!!: "ধর্মের অনুশাসন অনুযায়ী কেউ যদি বোরকা বা নেকাব পরেন তাহলে আমার কোন বক্তব্য নেই। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে কোন বোরকাওয়ালী দেখলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। কারণ তারা তখন হয়ে যায় নকলের ডিপো। এটা একদম ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা।

পশ্চিমা বিশ্বেও এই বোরকা নিয়ে কম হৈচৈ হয় না। সাম্প্রতিক ফ্রান্স তো তাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেকাব নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ই-মেইলে পাওয়া ছবিগুলো শেয়ার করলাম আপনাদের সাথে। ছবিতে নেকাবের ব্যবহারের চমৎকার কনট্রাস্ট দেখানো হয়েছে। ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে ছবিগুলো স্রেফ আনন্দের জন্য দেখুন :)

























"

রাজা রবি বর্মার তৈলচিত্র-১

রাজা রবি বর্মার তৈলচিত্র-১: "রাজা রবি বর্মা

রাজা রবি বর্মা(১৮৪৮-১৯০৬) ভারতে কেরেলা প্রদেশের তৎকালীন ত্রবনকোর রাজ্যের কিলিমানুর রাজপ্রাসাদে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা ইঝুমাবৈল নীলকান্থন ভট্টতিরিপদ ছিলেন একজন মহান পণ্ডিত, এবং তাঁর মাতা উময়াম্বা থাম্পুরত্তি ছিলেন একজন কবি ও লেখক যাঁর 'পার্বতী স্বয়ম্বরম' নামে একটি সৃষ্টি তাঁর মৃত্যুর পর রাজা রবি বর্মার মাধ্যমের প্রকাশিত হয়েছিল। সাত ছর বয়সে রাজা রবি বর্মা প্রাসাদের দেওয়ালে কয়লা দিয়ে ছবি আঁকতে শুরু করেন। তাঁর পিতৃব্য রাজা রাজা বর্মা ছোট্ট বালকের এই প্রতিভা অনুধাবন করেন এবং তাঁকে চিত্রকলার উপর প্রাথমিক শিক্ষা দেন। চৌদ্দ বছর বয়সে আয়িলিয়াম থিরুনাল মহারাজা তাঁকে ত্রবনকোর প্রাসাদে নিয়ে যান এবং সেখানে রাজ চিত্রকার রাম স্বামী নাইড়ু তাঁকে জলচিত্রের উপর শিক্ষা দেন। যখন তাঁর বয়স সতের, তখন থিওডোর জেনসন নামের এক ব্রিটিশ চিত্রকারের কাছে তৈল চিত্রের উপর শিক্ষা নেন।



রাজা রবি বর্মার বেশির ভাগ ছবি সনাতন মহাকাব্যের বিভিন্ন চরিত্র ও ঘটনার পটভূমিতে অঙ্কিত। ১৮৭৩ সালে তিনি মাদ্রাজে অনুষ্টিত চিত্র প্রদর্শনীতে প্রথম পুরস্কার জিতে নেন। একই বছর, ভিয়েনা চিত্রপ্রদর্শনী জয় করে তিনি ভারতীয় এক চিত্রকার হিসেবে বিশ্ববিখ্যাত হোন।

___________________________________________________________________

তাঁর আঁকা অনেকগুলো ছবি পেলাম একটি সাইটে। ছবিগুলো পর্বে পর্বে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

গোয়ালিনি

মহারাষ্ট্রের নারী

স্তনপানরত শিশু

প্রত্যাশা

সেবারতা

শকুন্তলা

শান্তিদূত হিসেবে শ্রীকৃষ্ণ

যশোদার সাথে শ্রীকৃষ্ণ

জটায়ু বধ

সিরেন্দ্রী

মহা দুঃখে পতিত হরিশ্চন্দ্র

সখীসনে শকুন্তলা

সমুদ্র ধ্বংসে শ্রীরাম

সংগীত কলাকার

এই তো আসছেন তোমার বাবা

চন্দ্রালোকে নারী

মা ও শিশু

শ্রীকৃষ্ণ মাতা-পিতাকে মুক্ত করে

শকুন্তলা পত্রলিখন

বীনা সনে বিনোদিনী

"